সর্বশেষ খবর

পে স্কেল প্রণয়ণে নতুন সিন্ধান্ত


পে স্কেল কার্যকর কবে

নতুন পে-স্কেল প্রণয়নের জন্য গঠিত কমিশনকে সুপারিশ জমা দেওয়ার সময় আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সরকারি চাকরিজীবীদের নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের জন্য ১৫ ডিসেম্বর বেঁধে দেওয়া আল্টিমেটাম সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

তবে সরকারি কর্মচারীরা আপাতত কঠোর আন্দোলনের পথে না হেঁটেই আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ে সচেষ্ট রয়েছেন। পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে তারা অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করছেন।

গত ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের নেতারা সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টার দপ্তরে সাক্ষাতের জন্য লিখিত চিঠি জমা দেন। সংগঠনের মহাসচিব বেল্লাল হোসেন জানান, দেখা না হলেও দপ্তর থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে পে-স্কেল এবং কর্মচারীদের অন্যান্য সমস্যা নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা অবগত আছেন এবং খুব দ্রুত আলোচনার জন্য ডাকা হবে।

কর্মচারী নেতারা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশ না হলে ১৭ ডিসেম্বর থেকে কঠোর কর্মসূচি নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। তবে সচিবালয়ের আন্দোলন দমন প্রক্রিয়া এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্দোলন পরবর্তী সরকারি সিদ্ধান্তের কারণে নেতারা আপাতত বড় কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে ভাবছেন।

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি জিয়াউল হক বলেন, সব দাবি রাস্তায় আন্দোলনের মাধ্যমে আদায় হয় না। পে-স্কেলের দাবিতে আমরা আলোচনার মাধ্যমে ফলাফল চাই। বেল্লাল হোসেন নিশ্চিত করেছেন, তারা অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করছেন।

আগামী ১৮ ডিসেম্বর দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ আলোচনায় বসবে এবং সেই আলোচনার ভিত্তিতেই পরবর্তী কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে।

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আগে জানিয়েছিলেন, পে-স্কেল ঘোষণা করা সহজ কাজ নয়, এতে অনেকগুলো বিষয় জড়িত। কর্মচারীদের আল্টিমেটামের মধ্যে এত কম সময়ে ঘোষণা করা সম্ভব নয়। তবে কাজ চলছে এবং কমিশনের সুপারিশ জমার নতুন সময়সীমার মধ্য দিয়ে প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়া হবে।


Post a Comment

Previous Post Next Post